প্রকাশিত: বিকাল ৫ টা ৪৯ মিনিট, ০১ অক্টবার ২০১৭, রবিবার | আপডেট: বিকাল ৫ টা ৪৯ মিনিট, ০১ অক্টবার ২০১৭, রবিবার
সৈয়দ মীর নজরুল ইসলাম



শোনো শোনো শোনো বিশ্ব মুসলমান!
শোনো হে, ওগো মুমিন গণ,
শোনো শোনো হে ঈমানদার দ্বীনদার গণ!
হযরত ইমাম হোসাইন (রাঃ) মহান সুমহান।
ইয়া হোসাইন!ইয়া হোসাইন!!ইয়া হোসাইন!!!
হায়, হযরত হোসাইন (রাঃ) হায় হায়।
দশই মুহররম আশুরায়-
স্বচ্ছ, সুমিষ্ট পানি বাহী ফোরাতের তীর,
রক্ত বন্যা বহে দাস্তে কারবালায় -

বড়ই কলুষিত অভিশপ্ত নিষ্ঠুর পিতৃ-মাতৃ হন্তক!
সদা সুডৌল সুউন্নত নারীসম্ভোগে উন্মত্ত গরলায়েক,
রক্তপিপাসু ক্ষমতালিপ্সু পাশন্ড এজিদ।
নূর নবীজীর বংশ নির্বংশে বিলিন করবে ধ্বংসে?
সে তা ভাবছে স্বচ্ছ জলাধারের পাশে বসে।
ইসলাম ধ্বংস করে নষ্ট করবে খোদার প্রদেয় দ্বীন!
মনোরথে ভাবছে যুদ্ধংদেহী রণ বেশে।

উত্তপ্ত মরুদেশে বালুকাবেলায় যুদ্ধ দিন
দূর থেকে ধেয়ে আসে,
পাপিষ্ঠ পাশন্ড এজিদের বিষাক্ত তীর।
বাতিলে ডুবন্ত এজিদের সৈন্যদের করালগ্রাসে,
উড়ন্তে ছোঁড়া তীর ধনূ বাণে রক্তনদী যায় বয়ে।

দ্বীন, ঈমান রক্ষার লড়াইয়ে,
পানির অভাবে রণে ওষ্ঠাগত প্রাণে,
হাসফাঁস করে দ্বীনদার ঈমানদার বীর মহাবীর।
মুসলিম মহা বীর যোদ্ধা গণ
আঘাতে আঘাতে জর্জরিত শ্রান্ত ক্লান্ত অস্থির।
তবুও এ ভূমে কভুও না ডরে?
সদা সর্বদাই থাকে সটান স্থানু স্থির।

সততার মঞ্চে সত্যের পথে থাকা মুসলমান,
অবিচল অনড় থাকে মুসলিম বীর মহা বীর।
যুদ্ধাস্ত্রে সুসজ্জিত রুপে শাণিত তলোয়ারে,
রণ ময়দানে প্রাণ পনে আমরণ
বীরদর্পে শেষাবধি যায় লড়ে!
বিজয় ছিনিয়ে আনে সব শত্রুর বিনাশ করে।

কূফার জেয়াদের ঘোর চক্রান্তে আজি এ বেলায়,
হযরত ইমাম হোসাইন (রাঃ) পরিবার পরিজন
আত্মীয় স্বজন সঙ্গী নবীবংশ সংগে লয়ে,
চারিদিক স্থানু স্থির নীরব নিস্তব্ধ কারবালায়!
ঠায় দাঁড়িয়ে তপ্তকাঞ্চন মরু 'পরে।

ঐ ধর্মদ্রোহী ঘৃণিত জুব্বা পরিহিত মুসলিম লেবাসে,
স্বচ্ছ, সুমিষ্ট পানি বাহী কলকলে
স্রোতস্বিনী ফোরাতের তীর অবরুদ্ধ করে!
কুলাঙ্গার পাপিষ্ঠ নেকড়ে এজিদ বাহিনী।
পানি পানি পানি পানি হায়রে পানি!
চতুর্দিকে কেবল পানি পানিরই হা-হা-কার।

আহারে! বিরুপ সংকটাপন্ন সে সময়ে,
তৃঞ্চা মিটাবে কয়েক ফোঁটা জলে?
তারই বা জো কই আর?
মুসলিম সেনানী বীর যোদ্ধাদের ওষ্ঠাগত প্রাণে,
জল ঢেলে দিবে পিপাসার্ত ঠোঁটে মুখে!
বলো বলো বলো ওরে মুসলমান,
কই, এমন আর আপন ছিলো কে?

যতো না কাতর রক্ত বাহিত শোণিত ধারায়, আহত ব্যথিত ক্ষত বিক্ষত যন্ত্রণায়!
তার চেয়ে বেশি সয়ে পানির অভাব খানি,
নির্জীব সতেজ নিথর দেহখান রক্তস্রোতে রেখে,
একে একে ইমামের সঙ্গী সকল বীর মহাবীর!
ত্যাগ করে তদীয় আপন প্রাণ খানি,
শহীদ হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পরে।

মরু বালুকণায় কারবালার কান্নায়,
শোণিত বাহিত রক্ত জলে মিলেমিশে
শহীদানের লাশে লাশে একাকার।
আজো বারিধারার অঝোর বর্ষণে,
বুকফাঁটা আর্তনাদে কান্নাশ্রু ঝরে আকাশে বাতাসে!

আজো সেথায় কারবালার বোবাকান্নার জল,
ফোঁটায় ফোঁটায় ঝরে যায় অঝোরে!
ওহে মুমিন মুসলমান,
দাস্তে কারবালার বিয়োগ ব্যথায়
কাঁদে কি তোমাদের মন প্রাণ?
মম তব ঝরে কি দুই নয়নের জল?
আপনার মন্তব্য
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
২০ জানুয়ারি ২০১৮
বিত্রমটি আই নিউজ ডেস্ক
একটা নদী উপহার পেয়েছি রটনার মত ছড়িয়ে যাচ্ছে , গুজব না সত্যি ! আমার একটা নদী আছে যদিও আমি নদী চাইনি চেয়েছি চাঁদ , তবু নদীই পেলাম বিস্তারিত
২০ জানুয়ারি ২০১৮
বিত্রমটি আই নিউজ ডেস্ক
আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর গ্রামের এক গৃহবধু দেবর ও ভাশুরের নির্যাতন, হয়রানিমূলক মামলাসহ বিভিন্ন কুৎসার হাত থেকে নিজের পরিবারের সদস্যদের বাঁচাতে সংবাদ সম্মেলন বিস্তারিত
২০ জানুয়ারি ২০১৮
বিত্রমটি আই নিউজ ডেস্ক
ড্রিম ডিভাইজারের নিজস্ব উদ্ভাবিত স্বপ্ন- সুশিক্ষা- সুযোগ মডেলে সুশিক্ষায় স্বপ্নবুননে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করে। সুশিক্ষায় স্বপ্নবুননে বিশেষ আয়োজন হচ্ছে স্বপ্ন-আড্ডা। স্বপ্ন আড্ডার বিস্তারিত
© স্বত্ব বিএমটিআইনিউজ ২০১৫ - ২০১৭
সম্পাদক :
মিঞা মুজিবুর রহমান
নির্বাহী সম্পাদক : শাহআলম শুভ
৩৭৩,দিলু রোড (তৃতীয় তলা)মগবাজার, ঢাকা-১২১৭
ফোন: ০২৯৩৪৯৩৭৩, ০১৯৩৫ ২২৬০৯৮
ইমেইল:bmtinews@gamil.com